সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শফিক নহোরের কবিতা ভাবনা

  নি জের চেহারা নিজে দেখা না গেলেও কবিতায় দেখা যায়। নিজের ভেতরের মানুষটাকে স্পর্শ করা যায়। আসলে কবিতা আসে আসমান থেকে কিছু কবিতা জন্ম নেয় মানব জীবনের ব্যথার নহর থেকে কবিতায়ই যেন দুঃখ সুখের এক অলিক মোহ। কবিতায় যা বলা যায়, প্রতিবাদ করা যায় তুলে ধরা যায় তা অন্য কোন মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় না। কবিতা হলও কবির একান্তই নিজস্ব ভাবনার বহিঃপ্রকাশ।  প্লোটো বলেছিলেন,"ভালোবাসার ছোঁয়ায় প্রত্যেকে কবি হয়ে যায়।" আমি কি কারণে কবিতা লিখতে শুরু করেছিলাম ? যখন খুব ছোট ছিলাম সম্ভবত হাই স্কুলে পড়ি, প্রাকৃতিক সুন্দর্য বিমোহিত করে তুলে। নিজের কবিতা বিষয়ে কিছু বলা কঠিন কবিতা আসলে একবার পাঠ করলে বোঝা সম্ভব নয়। কবিতা পাঠের বিষয় ভাবনার বিষয় তা সত্ত্বেও কখনো কখনো এ কাজ করতে হয়, কেননা তাতে কবির মনের গঠন পাঠ- তার রুচিবোধ, জীবন ও জগতের প্রতি তার যে দৃষ্টিভঙ্গি প্রভৃতি কিছু না কিছু ধরা পড়ে পাঠকের কাছে। কখনো কখনো কবিতার ভেতর আক্ষরিক অর্থ উন্মোচিত হয়। তার সবটুকু ভাব আর কল্পনা-বৈভব নিয়ে তৈরি, এ যেন জীবনের একটি বৃহৎ অংশ জুড়ে থাকা কবিতার ভেতর দারুণ এক রসদ প্রেম-ভাব থাকাটা আমার কাছে গুরুত্ব বলে মনে করি। কবিতা তার নিজ...

প্রিয় মায়াপাখি।। শফিক নহোর

প্রিয় মায়াপাখি কুয়াশায় ঢাকা শহরের তারকাটার অদৃশ্য দেয়াল। কেউ ঢুকতে পারছে না শহরের তারকাটা ভেদ করে। কুয়াশা কোন দেওয়াল মানেনি। সে প্রকৃতির নিয়মে চলে। প্রকৃতিকে রোধ করা যায় না। ভালোবাসা , বিশ্বাস , অনুভূতি হচ্ছে প্রকৃতির অনুচ্ছেদ তাকে কোন নিয়ম দিয়ে আলাদা করতে পারে না। ভৌগোলিকভাবে তুমি দূরে থাকলে বাতাসের সঙ্গে সূর্যের আলোর সঙ্গে তোমার শরীরের ঘ্রাণ ভেসে আসে আমার নাকের ডগায়। তুমি একদিন যোগাযোগ না করলে , দীর্ঘ একাকীত্বের ভেতর ডুবে থাকি তোমার পুরনো স্মৃতিচারণ মনে করে । এই সুখই আমার পরম প্রাপ্তি। তুমি জানতে চাও ! অথচ আমি জানাতে পারি না। এটা আমার অপারগতা ! জানি বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে। নিজের কাছেই বিশ্বাস হয় না। নিজের হাত খরচ নেই , আলাদা আড্ডা নেই, বন্ধুদের সঙ্গে পকেট শূন্যতা একধরনের বিষণ্ণ স্বরে কারো কারো চা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে হয়। প্রতিদিন একজনের চা খাওয়া যায় না। ভেতরে ভেতরে লজ্জাবোধ কাজ করে। কারো সঙ্গে দেখা হওয়া জরুরি অথচ দেখা করতে পারছি না। এই কষ্ট ও অপরাধ ব...