সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

রুকযা দিলরুবা ।। শফিক নহোর

কারো কারো বুকের উপর দিয়ে হেঁটে গেলেই শ্মশান কারো কারো চোখের ভেতর উত্তাল ঢেউ কারো কারো ঠোঁট কারেন্টজাল কারো কারো মুখের হাসি স্বর্গসুখ । কারো কারো দুঃখ পাহাড় সমান কারো কারো কথা হয়ে গেছে শেষ কারো কারো ব্যথা নদীর সমান কারো কারো অনুভূতি পৃথিবী সমান। দিলরুবা তুহি মেরি জিন্দেগি তুহি মরি অধরা স্বপ্না হার দিল, হার পাল তুহি হে কারো কারো সময় নেই চোখ তুলে দেখার কারো কারো অতীত মনে নেই, কারো কারো বাড়ির কাছে নদী কারো কারো পাহাড়ে বাড়ি সব কিছুই আমার থেকে দূরে রুকযা দিলরুবা, খোদাকি কসম !

দিলরুবা ।। শফিক নহোর

দিলরুবা ছন্দের গতিতে ঠোঁটের লিপস্টিক  ঠোঁটে জড়িয়ে দিয়ে প্রজাপতি হলো  কানামাছি খেলায় তাকে যতবার ছুঁয়েছি চোখ খুলে দেখি অন্য মানুষ! আঁধারে ডুবে যায় চাঁদ,জেগে ওঠে দিলরুবা তাকে রোজ মনে করি তজবির মতো ।

বেলিফুলের ঘ্রাণ।। ছোটগল্প।। শফিক নহোর

  ১ . পারুল গ্রামের মেয়ে। বেলিফুলের মতো সাদা চেহারা , চোখ দুটি মায়া ভর্তি। কথা বললে মনে হয় কথার সঙ্গে রসগোল্লার রস বেরিয়ে আসে। ঠোঁটের কিনারে ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদের ঝিলিকের মতো মিহি আবেগি ঢঙ লেগে থাকে সর্বক্ষণ। লেখাপড়ায় গাঁয়ের মধ্যে সেরা। স্কুলের মাস্টাররা স্নেহ করে খুব , একনামে তাকে সবাই চেনে জানে ভালো ছাত্রী হিসাবে। পারুল স্বপ্ন দেখত ডাক্তার হবার। সেই স্বপ্ন একটা সময় অধরা রয়ে যায়। তার মা মারা যাবার পর। মায়ের মৃত্যুতে পারুল যেন ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দা বনে যায়।উদাস একটা ভাব চেহারার ভেতর বেলেমাছের মতো জাবর কাটতে থাকে সারাক্ষণ। বাড়িতে বেশিদিন থাকতে পারেনি সৎ মা সংসার বলে। তার পরে তাকে চলে আসতে হয়েছিল মামার বাড়িতে , সেখানে মামী তার একমাত্র সঙ্গী। একটা সময় মনে হয়েছিল , মামীর ওপরই সে নির্ভরশীল। আসলে বিশ্বাস একটা সময় বিষ হয়ে ওঠে - ছিল। সেই গোপন বেদনার দরজা বন্ধ করে রাখতে হয়। অপরের মুখে হাসি দেখার জন্য। একদিন দুপুরে বিষণ্ণ হয়ে ওঠে পারুলের মন বাড়ি যাবার জ...