সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শফিক নহোর এর দুটি ই-পেপার কবিতা

 

শফিক নহোর এর ই-পেপার কবিতা

 

Bangla Baul Song// 2020 Nasir Opal Glass// Gorai MIrzapur Tangail

শফিক নহোরের কবিতা- কৃষ্ণকুমারী

কৃষ্ণকুমারী ভাঙা চাঁদের উঠোন জুড়ে দাঁড়িয়ে বিলিয়ে দিয়েছে প্রণয় ত্রাণ জ্বলে ওঠে আবেগে নক্ষত্র রমণী মানেই পৃথিবীর সমস্ত উপন্যাস ঠোঁটকাটা গাঙশালিকের  বুকের ওমে ওড়না দিয়ে ঢেকে রাখি পৃথিবীর চোখ ।    

শফিক নহোর -অলীক ডুব সাঁতার

 অলীক ডুব সাঁতার বেঁচে থাকার ধর্মে ঢুকে যাবে সামাজিক দূরত্ব না নেই করোনার যাদুর কাঠি দূরে যাও সরে দাঁড়াও বেঁচে থাকো একা                     এই আমাদের নতুন পৃথিবী এই ঘর মোহমায়া শিশির বিন্দু জলের ভেতরে অলীক ডুব সাঁতার ।  

উদ্বাস্তু পৃথিবী

কৃষ্ণবর্ণের শরীর সরিয়ে দেখি উদ্বাস্তু পৃথিবী  সেন্সের বোর্ডের নতুন ছবি  শিউলি ফুলের কোমর জুড়ে চমকপ্রদক নৃত্য  অসুরের নীলদারা বেয়ে উঠে সরস্বতী কালো বিড়ালের লেজে বেঁধে দিলাম ভাগ্য চিঠি  ঈশ্বর তাঁর ইচ্ছামত চলেন । পৃথিবীর সমস্ত কুকর্ম দেখে পাথর হয়ে গেল চোখ  কুখ্যাত আসামি রেখে রাজস্বাক্ষীর শিরচ্ছেদ ।

পুরাতন বটবৃক্ষ -শফিক নহোর

  'বড়খাঁপুরের মানুষজন কী বিচিত্র ধরণের কেউ-কেউ বলে , তাঁরা নাকি চুলার ভেতরে ঠ্যাঙ দিয়ে ভাত রান্না করে ।' অবাক হবার কথা , আমি নিজেও অবাক হলাম ! বিষয়টি খুব সহজে নিতে পারিনি প্রথমে । এটাও কি সম্ভব , কী করে মানুষ এমন করতে পারে । কোন আত্মীয়-স্বজন বাড়িতে আসলে না খাইয়ে দুপুর পর্যন্ত রাখবে । সকালবেলা নদীর ধার দিয়ে হাঁটছি ; আশেপাশের লোকজন খোলা-মাঠে প্রকৃতির কাজ সেরেছে , চরম দুর্গন্ধ   আসতে লাগল মৃদু বাতাসের সঙ্গে   ।নাকে হাত চেপে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হলাম । গ্রামীণ মানুষ গুলোর সহজ সরল সমীকরণ খেয়ে পড়ে কোনো মতো দিন পাড় করতে পারলে-ই বেঁচে যায় । কে- কাকে নিয়ে এত ভাবে এখন । সে সময় কী মানুষের আছে এখন ?'   কারো কারো বাড়িতে বাঁশের উঁচু পায়খানা , উপর থেকে ছাড়ছে নিচে নদীতে ভেসে যাচ্ছে সেই পানিতেই গোসল, বাসনকোসন পরিষ্কার থেকে শুরু করে নানান কাজ । বাচ্চাকাচ্চা কেউ-কেউ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে দিনের পর দিন পরে আছে । অভাবের সংসারে একজন বেশি দিন অসুস্থ হয়ে থাকলে , ‘ মনে হয় মরে গেলেই শান্তি আহা রে ! গরীব মানুষের জীবন ।' অসহায় মানুষ নদী ভাঙ্গন পরিবারের কাছে কি   সবসময় নগ...