সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শফিক নহোর -অলীক ডুব সাঁতার

 অলীক ডুব সাঁতার বেঁচে থাকার ধর্মে ঢুকে যাবে সামাজিক দূরত্ব না নেই করোনার যাদুর কাঠি দূরে যাও সরে দাঁড়াও বেঁচে থাকো একা                     এই আমাদের নতুন পৃথিবী এই ঘর মোহমায়া শিশির বিন্দু জলের ভেতরে অলীক ডুব সাঁতার ।  

উদ্বাস্তু পৃথিবী

কৃষ্ণবর্ণের শরীর সরিয়ে দেখি উদ্বাস্তু পৃথিবী  সেন্সের বোর্ডের নতুন ছবি  শিউলি ফুলের কোমর জুড়ে চমকপ্রদক নৃত্য  অসুরের নীলদারা বেয়ে উঠে সরস্বতী কালো বিড়ালের লেজে বেঁধে দিলাম ভাগ্য চিঠি  ঈশ্বর তাঁর ইচ্ছামত চলেন । পৃথিবীর সমস্ত কুকর্ম দেখে পাথর হয়ে গেল চোখ  কুখ্যাত আসামি রেখে রাজস্বাক্ষীর শিরচ্ছেদ ।

পুরাতন বটবৃক্ষ -শফিক নহোর

  'বড়খাঁপুরের মানুষজন কী বিচিত্র ধরণের কেউ-কেউ বলে , তাঁরা নাকি চুলার ভেতরে ঠ্যাঙ দিয়ে ভাত রান্না করে ।' অবাক হবার কথা , আমি নিজেও অবাক হলাম ! বিষয়টি খুব সহজে নিতে পারিনি প্রথমে । এটাও কি সম্ভব , কী করে মানুষ এমন করতে পারে । কোন আত্মীয়-স্বজন বাড়িতে আসলে না খাইয়ে দুপুর পর্যন্ত রাখবে । সকালবেলা নদীর ধার দিয়ে হাঁটছি ; আশেপাশের লোকজন খোলা-মাঠে প্রকৃতির কাজ সেরেছে , চরম দুর্গন্ধ   আসতে লাগল মৃদু বাতাসের সঙ্গে   ।নাকে হাত চেপে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হলাম । গ্রামীণ মানুষ গুলোর সহজ সরল সমীকরণ খেয়ে পড়ে কোনো মতো দিন পাড় করতে পারলে-ই বেঁচে যায় । কে- কাকে নিয়ে এত ভাবে এখন । সে সময় কী মানুষের আছে এখন ?'   কারো কারো বাড়িতে বাঁশের উঁচু পায়খানা , উপর থেকে ছাড়ছে নিচে নদীতে ভেসে যাচ্ছে সেই পানিতেই গোসল, বাসনকোসন পরিষ্কার থেকে শুরু করে নানান কাজ । বাচ্চাকাচ্চা কেউ-কেউ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে দিনের পর দিন পরে আছে । অভাবের সংসারে একজন বেশি দিন অসুস্থ হয়ে থাকলে , ‘ মনে হয় মরে গেলেই শান্তি আহা রে ! গরীব মানুষের জীবন ।' অসহায় মানুষ নদী ভাঙ্গন পরিবারের কাছে কি   সবসময় নগ...

আবেগি প্রেমের ঘাসফড়িং-শফিক নহোর

  মায়াবী আঁখি যুগল ভ্রু তিলোত্তমা চাহনি সদ্য যৌবন প্রাপ্ত লাজুক ঠোঁট তীর বেঁধা কোমরের ভাঁজে জেগে থাকে শিশির জলে স্লান করা ভোরের রজনীগন্ধা আবেগি প্রেমের ঘাসফড়িং উড়ে আসমানে- ফরেনসিক রিপোর্টে ভেসে উঠলো লিপস্টিকের লাল দাগ কেউ কখনো প্রেমিক হতে আসেনি , এসেছিল পুরুষ হতে ! মায়াবী আঁখি গলানো হয়েছে শারাবের গ্লাসে ।

মৃত মানুষের ঠ্যাং-শফিক নহোর

শরীরের উপর চিৎ বুভুক্ষিত বাঘ দরজায় কড়া নাড়ে ক্ষুধার্ত নাবিক রক্ত নদীতে ঢেউ খেলে পানকৌড়ি পরাজিত নাবিকের হাত ধরবে কে ?' খোলা জানালায় নিকোটিনের ঘ্রাণ মৃত মানুষের ঠ্যাং ভাঙা নৃত্য অসহায় অট্ট হাসিতে কাঁদে ভুবন

হাত ছুঁয়ে দাও

তুমি হাত ছুঁয়ে দাও   কর্মশক্তি দ্বিগুন হয়   তুমি চোখে চোখ রাখো   পৃথিবী জয়ের স্বপ্ন দেখি ।   তুমি আছো বলে - ই   হাজার বছর বেঁচে থাকার   সাধ জাগে আমার   এই মায়ামাখা পৃথিবীর বুকে ।   মিথ্যে আশায় তবুও বাধি ঘর   কে আপন কে পর   কে আমায় নিচ্ছে খবর পারাপার   এ ভূবন মাঝে ।   তুমি সুখ , তুমি অনুভূতি   তুমি প্রাণপ্রিয়   চোখের আড়াল একটু হলেই   লাগে আমি মৃত !

বিষনাগিন ও ওঝা

রেললাইনের মতো হাত যখন তখন — সমকামী হয়ে ওঠে ; যার তার পকেটে ঢুকে পড়ে আলু মানব জেগে আছে পরম আত্নীয় হয়ে ভেতরে শুধু কালসাপের ছোবল ।   বিষনাগিন ওঝার নৃত্য দেখে বেসামাল হেসে কুটিকুটি হয় পাহাড় ভাঙার শব্দে দুটি হাত সমকামীর মতো ঢুকে যাচ্ছে আপন পড় সবার খাদ্য ঘরে লোভী চোখের ভেতর ।